Welcome to Galaxy Astrology কি ভাবে কবচ ধারন করবেন ? কি কি বিধি নিষেধ আছে, যন্ত্রম যারা নিয়েছেন তারা কি ভাবে যন্ত্রম স্থাপন করবেন, কি কি নিয়ম আছে এবং যারা মন্ত্র জপ করার জন্য রুদ্রাক্ষের মালা নিয়েছেন তারা কি ভাবে এবং কোন মন্ত্রে রুদ্রাক্ষের মালায় জপ করবেন সব কিছু বিস্তারিত এই প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে আপনার বুঝতে সুবিধা হয়।
👉 প্রথমে থাকলো, কি প্রশ্নের উত্তর যা আপনার মনের মধ্যে আসতে পারে !
💥আমি একটা কবচ পেয়েছি। কবচ কি ভাবে ধারন করবো ❓
☘️ কবচ ধারনের জন্য সংস্কার বিধি এখানে উল্লেখ করা হয়েছে । আগে থেকে ভালো করে বার বার পরে নেবেন এবং যথাযথ ভাবে সম্পূর্ণ পদ্ধতি মেনে কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত করবেন। সব শেষে কোনো অসহায় মানুষ বা কোনো প্রাণীকে আহার দানের বিধি পালন করবেন। শিব জ্ঞানে জীব সেবা করার (যখন আহার দান করবেন) সময় মনে মনে নিজের মনোকামনা জানাতে ভুলবেন না।
👉 আমাকে একটি সাদা দ্রব্য দেওয়া হয়েছে, ওটা কি করবো❓
☘️ সাদা দ্রব্য টি – দেবাদিদেব মহাদেবের বিভূতি। প্রতি সোমবার স্নানের পরে অনামিকা আঙ্গুল দিয়ে কপালে বিভূতি ধারন করবেন। এবং নিজ মনোকামনা জানাবেন। মন্ত্র ওঁ নমঃ শিবায়
👉 আমাকে একটি হলুদ দ্রব্য দেওয়া হয়েছে, ওটা কি করবো❓
☘️ সোমবার বাদে বাকি দিন গুলোতে স্নান করে অনামিকা আঙুল দিয়ে অষ্টগন্ধা (সামান্য জলে কাদা কাদা করে ভিজিয়ে নেবেন) কপালে ধারন করবেন। এবং নিজের মনোকামনা জানাবেন। মন্ত্র ওঁ আদিত্যাদি নবগ্রহেভ্য নমঃ
💥আমি একটা রুদ্রাক্ষের মালা পেয়েছি। ওটা কি করবো ❓
☘️যাদের রুদ্রাক্ষের মালা দেওয়া হয়েছে তারা মালা একটি বাটিতে সরষের তেল নিয়ে তার মধ্যে মালাটি রেখে দিন। তাদের মালায় জপ করার বীজ মন্ত্র ও পদ্ধতি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি আপনি রুদ্রাক্ষের মালায় জপ করার পদ্ধতি জানেন তাহলে অবশ্যই ভিডিও করে 7044433888 এই নম্বরে Whatsapp করে পাঠান।
💥কবচটি শরীরের কোন স্থানে ধারন করতে হবে❓
☘️কবচ গলায় ধারন করা উচিত। লাল কার বা রূপোর চেন বা সোনার চেন দিয়ে ধারন করবে। যদি সম্ভব না হয়। তাহলে পুরুষেরা ডান হাতে এবং মহিলারা বাম হাতে ধারন করবেন।
💥কবচ ধারনের দিন কি নিরামিষ আহার করতে হবে❓
☘️ অবশ্যই ঐ দিন অর্থাৎ কবচ ধারনের দিন নিরামিষ আহার করবেন। সাথে যন্ত্রম গুলোও স্থাপন করতে হবে। সব গুলো লেখা ভালো করে পড়ুন।
💥কবচ ধারন করার পরে কোনো বিধিনিষেধ বা কোনো নিয়ম মানতে হবে আছে ❓
☘️ মাঝে মাঝে পূর্ণিমা বা অমাবস্যায় নিজের সময় মতো কবচ সংস্কার বা শোধন করে নেবেন (পদ্ধতি দেওয়া আছে দেখে নেবেন )। এছাড়া তেমন কিছু বিধি নিষেধ নেই। তবে মরা বাড়ি বা আতুর বাড়িতে কবচ পরে না যাওয়াই ভালো।
খুলে রেখে যেতে পারেন। কখন ভুল হলে, পুনরায় যথা বিধ কবচ সংস্কার করে ধারন করা কর্তব্য।
💥 কবচ শোধন বা সংস্কারের সময় অগুরু নামের একটি দ্রব্যের উল্লেখ আছে। সেটা কি ?
☘️ অগুরু একটি সুগন্ধি তরল। যা আপনি যে কোনো দশকর্মার দোকানে সামান্য দামে পেয়ে যাবেন।
🍁 যারা যন্ত্রম পেয়েছেন তাদের জন্য নিচের দিকে বিস্তারিত লেখা হয়েছে ভালো করে পড়ে নেবেন।
🕉️যারা রুদ্রাক্ষ মালা পেয়েছেন তাদের জন্য নিচের দিকে বিস্তারিত লেখা হয়েছে ভালো করে পড়ে নেবেন।
💥কবচ কবে ধারন করতে হবে ❓
☘️ এই বিষয়ে একবার 7044433888 এই নম্বরে Whatsapp করে জেনে নিন। আপনাকে বলে দেওয়া হবে।
👉 কবচ ধারন করার পদ্ধতি ভালো করে পড়ে নিন। প্রয়েজনে বার বার পড়ে নেবেন। যেন ভুল না হয়।
☘️ কবচ সংস্কার বা শোধন বিধি – উপকরণ – গোলাপ জল, অগুরু, পূজা করার আসন ( যে আসনে বসে আপনি পূজা করেন ), সম্ভব হলে একটি ধূপ ও দীপ জ্বালিয়ে নিতে পারেন। তাতে পরিবেশে অধ্যাত্মিকতা বজায় থাকবে। আর সব থেকে বড় প্রয়োজন বিশ্বাস ভক্তি, একাগ্রতা আর ইচ্ছাশক্তি।
এবার একটি তামার বাটিতে গোলাপ জল ও অগুরু মিশিয়ে কবচটি ভালো করে ধুয়ে নেবেন। তারপরে পুনরায় শুধু অগুরু দিয়ে কবচটি পুনরায় ধুয়ে নেবেন ( অর্থাৎ স্নান করাবেন )
তারপরে তামার পাত্রে পুনরায় নতুন করে গোলাপ জল ও অগুরু নেবেন।
সকল কাজটি আসনে বসে (পূর্ব অথবা উত্তর মুখে বসে হবে )
এবার নিজের গুরুমন্ত্র পাঠ ও নিজ কুল দেবতার আজ্ঞা গ্রহণ করবেন। তারপরে ডান হাতে ঐ কবচ স্পর্শ করে ওঁ কবচ রাজায় বিদ্মহে মহাকবচায় ধীমহি তন্ন কবচঃ প্রচোদয়াৎ 11 bar পাঠ করবেন। তারপরে ক্রীং 11 বার , ওঁ হ্রী স্ত্রীং হুং ফট্ 11 বার ওঁ হ্লীং ওঁ 11 বার তারপরে ওঁ নমঃ শিবায় সর্ব বিঘ্ন নাশায় নাশায় মহাকাল ভৈরব ওঁ নমঃ শিবায় নমঃ 11 বার পাঠ করে
ওঁ আদিত্যাদি নবগ্রহেভ্য নমঃ 28 বার পাঠ করে নেবেন।
নিজের মনোকামনা জানিয়ে কবচ ধারন করুন। এবং ঐ দিন কোনো অসহায় মানুষকে বা কোনো প্রাণীকে অন্ন বা আপনার সামর্থ্য মতো আহার নিবেদন করুন। আর মনে মনে নিজের মনোকামনা জানাবেন।
👉 যাদের যন্ত্রম দেওয়া হয়েছে তাদের জন্য 💥
☘️যন্ত্রম বা যন্ত্রম গুলো যে দিন আপনি কবচ ধারন করবেন সেই দিন লাল কাপড় পেতে ঠাকুরের স্থানে বাড়ি বা ঘরের উত্তর বা পূূর্ব বা ঈশাণ কোণে (উত্তর পূর্ব কোণ) স্থাপন করতে হবে।
☘️প্রতিদিন স্নান করে, সামান্য জল অথবা অগুরু মিশ্রিত জল যন্ত্রমে নিবেদন করতে হবে। এবং জল অথবা অগুরু মিশ্রিত জল নিবেদন করার সময়, নির্দিষ্ট যন্ত্রমের বীজ মন্ত্র পাঠ করতে হবে। মন্ত্র গুলো গুরুজীর কাছ থেকে জেনে নেবেন 7044433888 এই নম্বরে Whatsapp করে যন্ত্রম গুলোর ছবি পাঠাবেনে।
💥 জল অথবা অগুরু মিশ্রিত জল নিবেদন করার সময় কত বার করে মন্ত্র পাঠ করতে হবে?
☘️আপনি বীজ মন্ত্র গুরুজীর কাছে জেনে নেবেন। কমপক্ষে আটাশ বার করে পাঠ করতে হয়। তবে যত বেশী করবেন তত ভালো।
💥💥💥যাদের রুদ্রাক্ষ মালা দেওয়া হয়েছে 💥💥💥
☘️ যাদের রুদ্রাক্ষ মালা দেওয়া হয়েছে তারা সময় মতো পূর্ব বা উত্তর দিকে আসনে বসে। রদ্রাক্ষের মালায় ঐ যন্ত্রমের যে বীজ মন্ত্র আছে। সেই মন্ত্র জপ করবেন।
💥 কেমন ধরনের আসন প্রয়োজন ?
☘️ মন্ত্র সাধনার জন্য সব থেকে উপযুক্ত কম্বলের আসন। যে আপনি যে কোনো দশকর্মার দোকানে পাবেন। *মনে রাখবেন* আপনার ঐ আসন কেবলমাত্র আপনার ব্যক্তিগত হতে হবে। আপনি ব্যতিত আর অন্যকেই সেই আসন ব্যবহার করবে না। ( তাই নতুন একটি কম্বলের আসন নেওয়া উচিত) এবং সঠিক নিয়মে রুদ্রাক্ষের মালায় জপ করতে হবে। 💥 অন্যের ব্যবহার করা আসন নেবেন না। বা একটি আসনে অনেকেই বসে পূজা করে সেই আসনও বাদ দেবেন।
💥 কিভাবে রুদ্রাক্ষের মালায় জপ করতে হয়। না জানা থাকলে আমরা শিখিয়ে দেব।
💥রুদ্রাক্ষে মালায় কতবার জপ করতে হবে ❓
☘️ কমপক্ষে এক মালা জপ করা মানে 108 বার (একশো আট বার ) জপ করা তাই প্রথম প্রথম এক মালাই জপ করবেন।। ক্রমশ জপ সংখ্যা বাড়াতে হয়। যত বেশী জপ করতে পারবেন। তত ভালো ফল পেতে পারেন। আপনাকে একশো আটের জপ মালা দেওয়া হয়েছে।
☘️ যদি মনে করেন, রুদ্রাক্ষের মালাটি আপনি গলায় ধারন করবেন। সেটাও করতে পারেন। তবে রাতে শোয়ার সময় বা মলত্যাগ বা স্নান করার সময় বা সহবাস করার সময় ঐ রুদ্রাক্ষের মালাটি খুলে রাখতে হয়। কবচ ঐ সময় খোলার দরকার নেই।
☘️যাদের রুদ্রাক্ষের মালা দেওয়া হয়েছে তারা মালা একটি বাটিতে সরষের তেল নিয়ে তার মধ্যে মালাটি রেখে দিন। তাদের মালায় জপ করার বীজ মন্ত্র ও পদ্ধতি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি আপনি রুদ্রাক্ষের মালায় জপ করার পদ্ধতি জানেন তাহলে অবশ্যই ভিডিও করে 7044433888 এই নম্বরে Whatsapp করে পাঠান।
☘️ মন্ত্র গুলো গুরুজীর কাছ থেকে জেনে নেবেন।
সব কিছুর মধ্যে সব থেকে উল্লেঞ যোগ্য হল আপনার ধৈর্য্য, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা, ভক্তি ও বিশ্বাস। এই গুলোর যেন কম না হয় বা কম না পরে।