ॐ नमः शिवाय
mail.galaxyastrology@gmail.com
2026 Chaitra Nabaratri Puja Mantra & All in Bengali
March 16, 2026

2026 Chaitra Nabaratri Puja Mantra & All in Bengali

2026 Chaitra Nabaratri Puja জেনে নিন চৈত্র নবরাত্রি 2026  সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

2026 Chaitra Nabaratri Puja  বাসন্তী পূজা ২০২৬: চৈত্র নবরাত্রির নির্ঘণ্ট দিনক্ষণ চৈত্র নবরাত্রি ২০২৬ কবে থেকে শুরু? নবরাত্রি চলবে ১৯ মার্চ – ২৭ মার্চ ২০২৬ ২০২৬ সালে চৈত্র নবরাত্রি শুরু হচ্ছে ১৯ মার্চ সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে
শুক্ল প্রতিপদ তিথি থাকবে ২০ মার্চ ভোর ৪টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত। তাই ১৯ মার্চ নবরাত্রির প্রথম দিন হিসেবে গণ্য হবে।

ঘট স্থাপনের শুভ সময় ১৯ মার্চ সকাল ৬:৫২ মিনিট থেকে সকাল ৭:৪৩ মিনিট পর্যন্ত।

 

বাসন্তী পূজা ২০২৬: চৈত্র নবরাত্রির নির্ঘণ্ট দিনক্ষণ

চৈত্র নবরাত্রি ২০২৬ কবে থেকে শুরু? নবরাত্রি চলবে ১৯ মার্চ – ২৭ মার্চ ২০২৬

২০২৬ সালে চৈত্র নবরাত্রি শুরু হচ্ছে ১৯ মার্চ সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে
শুক্ল প্রতিপদ তিথি থাকবে ২০ মার্চ ভোর ৪টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত। তাই ১৯ মার্চ নবরাত্রির প্রথম দিন হিসেবে গণ্য হবে।

ঘট স্থাপনের শুভ সময় ১৯ মার্চ সকাল ৬:৫২ মিনিট থেকে সকাল ৭:৪৩ মিনিট পর্যন্ত।

পতিপদ ১৯ মার্চ সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে থেকে ০ মার্চ ভোর ৪টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত।

দেবী হলেন শৈলপুত্রী। নবরাত্রীতে প্রথম দিন অর্থাৎ পতিপদে মা শৈলপুত্রীর পূজা ও আরাধনা করা হয়।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী শৈলপুত্র্যৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: “বন্দে বাঞ্ছিতলা ভায় চন্দ্রার্ধকৃতশেখরাম্। বৃষারূঢ়াং শূলধরাং শৈলপুত্রীং যশস্বিনীম্॥”

স্তুতি মন্ত্র: “যা দেবী সর্বভূতেষু মা শৈলপুত্রী রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ॥”

আজ মাকে হলুদ ফুল নিবেদিন করা হয়। ঘট স্থাপন করে দেবীর সামনে ঘিয়ের প্রদীপ ও ধূপ জ্বালান।

শাস্ত্রমতে, শৈলপুত্রীর আরাধনা করলে জীবন থেকে সমস্ত বাধা দূর হয়, এবং ভক্তরা সাহস, স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি লাভ করেন।

 

দ্বিতীয়া ০ মার্চ ভোর ৪টা ৫১ মিনিট থেকে ২০ মার্চ রাত ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। দেবী হলেন ব্রহ্মচারিণী।

নবরাত্রিতে দ্বিতীয়া তিথিতে মা ব্রহ্মচারিণীর পূজা ও আরাধনা করা হয়।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী ব্রহ্মচারিণ্যৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: “দধানা কর পদ্মভ্যামক্ষমালা কমণ্ডলু।
দেবী প্রসিদতু মে ব্রহ্মচারিণ্যনুত্তমা।।”

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা ব্রহ্মচারিণী রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।

শাস্ত্রমতে, ব্রহ্মচারিণীর আরাধনা করলে জীবনে শান্তি, একাগ্রতা, ইচ্ছাশক্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায় 

 

তৃতীয়া  ২০ মার্চ রাত ২টা ৩০ মিনিট থেকে ২১ মার্চ রাত ১১টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত।

দেবী হলেন চন্দ্রঘন্টা। নবরাত্রির তৃতীয় দিনে দেবী চন্দ্রঘণ্টার পূজা করা হয়, যিনি সাহসের প্রতীক এবং অশুভ শক্তি বিনাশকারীনি।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী চন্দ্রঘণ্টায়ৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: “পিণ্ডজপ্রবরারূঢ়া চণ্ডকোপাস্রকৈর্যুতা।
প্রসাদং তনুতে মহ্যং চন্দ্রঘণ্টেতি বিশ্রুতা॥”

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা চন্দ্রঘণ্টা রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।

মা চন্দ্রঘণ্টাকে দুধ বা দুধের তৈরি মিষ্টি (যেমন ক্ষীর) অর্পণ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

শাস্ত্রমতে, চন্দ্রঘন্টার আরাধনা করলে মনে সাহস ও শক্তি সঞ্চারিত হয় এবং নেতিবাচকতা দূর হয়।

 

চতুর্থী – ২১ মার্চ রাত ১১টা ৫৬ মিনিট থেকে ২২ মার্চ রাত ৯ টা ১৬ মিনিট পর্যন্ত।

দেবী হলেন কুষ্মাণ্ডা নবরাত্রির চতুর্থ দিনে দেবী কুষ্মাণ্ডার পূজা করা হয়, যিনি সুখ, সমৃদ্ধির দেবী বলেও পরিচিত।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী কুষ্মাণ্ডায়ৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: ” সুরাসম্পূর্ণকলসং রুধিরাপ্লুতমেব চ।
দধানা করপদ্মাভ্যাং কুষ্মাণ্ডা শুভদাস্তু মে॥”

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা কুষ্মাণ্ডা রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।

মা কুষ্মাণ্ডাকে হলুদ রঙের পোশাক এবং হলুদ ফুল অর্পণ করা অত্যন্ত শুভ।

শাস্ত্রমতে, কুষ্মাণ্ডা দেবীর আরাধনা করলে ভয় দূর হয় এবং জীবনে আলো ও তেজ বৃদ্ধি পায়।

 

পঞ্চমী – ২২ মার্চ রাত ৯ টা ১৬ মিনিট থেকে ২৩ মার্চ সন্ধ্যা :৩৮ মিনিট।

দেবী হলেন স্কন্দমাতা। নবরাত্রির পঞ্চমীর দিনে দেবী স্কন্দমাতার পূজা করা হয়, যিনি সুখ, সমৃদ্ধির দেবী বলেও পরিচিত।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী স্কন্দমাতায়ৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: ” “ওঁ দ্বিভুজাং স্কন্দজননীং বরাভয়যুতাং স্মরেৎ।
গৌরবর্ণাং মহাদেবীং নানালঙ্কারভূষিতাম॥
দিব্যবস্ত্রপরিধানাং বামক্রোড়ে সুপুত্রিকাম।
প্রসন্নবদনাং নিত্যং জগদ্ধাত্রীং সুখপ্রদাম॥””

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা স্কন্দমাতা রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।

দেবীকে কলা বা ক্ষীর নিবেদন করা শুভ বলে মনে করা হয়।

শাস্ত্রমতে, স্কন্দমাতা দেবীর আরাধনা করলে জ্ঞান বৃদ্ধি পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। পূজার সময় দেবীর চরণে সাদা পদ্ম বা যেকোনো লাল ফুল নিবেদন করা হয়।

 

মহাষষ্ঠী

ষষ্ঠী তিথি শুরু: ২৩ মার্চ সন্ধ্যা :৩৮ মিনিট থেকে ২৪ মার্চ সন্ধ্যা ৭:১৩ মিনিট পর্যন্ত।

এই দিন দেবীর বোধন ও আমন্ত্রণ।
দেবী হলেন কাত্যায়নী নবরাত্রির মহাষষ্ঠীর দিনে দেবী কাত্যায়নীর পূজা করা হয়।

বিবাহ ও মনস্কামনা পূরণের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মন্ত্রটি হলো: “কাত্যায়নী মহামায়ে মহাযোগিন্যধীশ্বরি। নন্দগোপসুতং দেবি পতিং মে কুরু তে নমঃ।”

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী কাত্যায়ন্যৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: চন্দ্রাসোজ্জ্বলকার শার্দুলাভরাভানা কাত্যায়নী শুভং দধ্যাদ দেবী দানাবঘাটিনী ॥”

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা কাত্যায়নী রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।

গায়ত্রী মন্ত্র: ওং কাত্যায়নায় বিদ্মহে কন্যা কুমারী ধীমহি তন্নো দেবী প্রচোদয়াৎ।

দেবী কাত্যায়নীকে হলুদ বা লাল বস্ত্র অর্পণ করা হয়।

শাস্ত্রমতে, স্কন্দমাতা দেবীর আরাধনা করলে জ্ঞান বৃদ্ধি পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। পূজার সময় দেবীর চরণে সাদা পদ্ম বা যেকোনো লাল ফুল নিবেদন করা হয়। শাস্ত্রমতে, নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে এই মন্ত্রগুলো জপ করলে মাঙ্গলিক দোষ দূর হয় এবং দ্রুত বিবাহের যোগ তৈরি হয়।

 

মহাসপ্তমী

নবপত্রিকা স্নান ও সপ্তমীর পুজো।

সপ্তমী তিথি শুরু ২৪ মার্চ সন্ধ্যা ৭:১৩ মিনিট থেকে ২৫ মার্চ দুপুর ১:৫০ মিনিট পর্যন্ত।

দেবী হলেন কালরাত্রী নবরাত্রির সপ্তম দিনে দেবী দুর্গার সপ্তম রূপ মা কালরাত্রির পূজা করা হয়, যিনি অশুভ শক্তি বিনাশকারী। 

মা কালরাত্রি অত্যন্ত ভয়ংকর রূপী হলেও, ভক্তদের সাহস ও নির্ভীকতা প্রদান করেন।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী কালরাত্র্যৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র:করালবদন ধোরাং মুক্তকেশী চতুষুর্ভুজাম্। কালরাত্রিং করালিঙ্কা দিব্যং মুন্ডমালা বিভূষিতাম্॥

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা কালরাত্রি রূপেন সংস্থিতা। নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ॥

মা কালরাত্রির পূজায় গুড় বা গুড়ের তৈরি মিষ্টি ভোগ হিসেবে নিবেদন করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়

শাস্ত্রমতে, কালরাত্রী দেবীর আরাধনা করলে অশুভ শক্তি, ভূত-প্রেত ইত্যাদি নাশ এবং শত্রুর হাত থেকে ভক্তদের রক্ষা করেন। দেবী কালরাত্রি ভক্তদের সব ধরণের ভয় (অজ্ঞাত ভয়, আর্থিক অস্থিতিশীলতা, ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা) থেকে মুক্তি দিয়ে সাহসিকতা ও আত্মবিশ্বাস প্রদান করেন। কালরাত্রি কবচ পাঠ করলে অকাল মৃত্যু বা বড় কোনো বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস করা হয়। শনিদেবের অশুভ প্রভাব বা শনির সাড়ে সাতি থেকে মুক্তি পেতে কালরাত্রি পূজা অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করা হয়।

 

মহাষ্টমী

পুজোর অন্যতম প্রধান দিন। পালিত হবে সন্ধিপুজো।

অষ্টমী তিথি শুরু ২৫ মার্চ দুপুর ১:৫০ মিনিট থেকে ২৬ তারিখ সকাল ১১.৪৮ মিনিট পর্যন্ত।

সন্ধিপুজোর মাহেন্দ্রক্ষণ সকাল ১১. ২৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২.১২ মিনিট।

দেবী হলেন মহাগৌরী নবরাত্রির মহাঅষ্টমীর দিনে দেবী মহাগৌরীর পূজা করা হয়। দেবী মহিষাসুর বধের বিজয়িনী রূপে পূজিতা হন।

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী মহাগৌরী নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: শ্বেতে বৃষে সমারূঢ়া শ্বেতাম্বরধরা শুচিঃ মহাগৌরী শুভং দদ্যান্মহাদেবপ্রমোদদা॥”

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা মহাগৌরী রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ॥

দেবী মহাগৌরীকে সাদা ফুল, বিশেষ করে মোগরা ফুল নিবেদন করুন। দেবীকে নারকেল বা দুধের তৈরি সাদা ভোগ নিবেদন করা উত্তম। ধ্যান ও পূজার পর দেবী মহাগৌরীর আরতি করুন। মা মহাগৌরী তাঁর ভক্তদের জীবন থেকে সমস্ত কষ্ট দূর করে সুখ ও সমৃদ্ধি প্রদান করেন।

শাস্ত্রমতে, মা মহাগৌরীকে শান্ত ও সৌম্য রূপের দেবী মনে করা হয়, যা ভক্তের মনের অশান্তি দূর করে এবং জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। মানসিক প্রশান্তি লাভ, জীবনের সব বাধা দূর করা এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির মাধ্যমে মোক্ষ বা মুক্তি প্রাপ্তি।

সন্ধিপূজা: অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং নবমী তিথির প্রথম ২৪ মিনিট মিলিয়ে যে বিশেষ সন্ধিক্ষণ, তাতে দেবীর চণ্ডী-চামুণ্ডা রূপের পূজা করা হয় 

কুমারী পূজা: অষ্টমীতে ১৬ বছরের কম বয়সী কুমারী বালিকাদের দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়, যা এই দিনের অন্যতম প্রধান রীতি

অস্ত্রপূজা: দেবী দুর্গাকে সন্তুষ্ট করতে দেবতারা এই দিনে তাঁদের অস্ত্র অর্পণ করেছিলেন, তাই এই দিনে অস্ত্রপূজাও করা হয়

 

মহানবমী 

নবমী তিথি শুরু ২৬ তারিখ সকাল ১১.৪৮ মিনিট থেকে ২৭ তারিখ সকাল ১০.৬ মিনিট পর্যন্ত। নবরাত্রির নবম দিনে দেবী দুর্গার নবম রূপ মা সিদ্ধিদাত্রীর পূজা করা হয়, যিনি সব ধরণের সিদ্ধি বা ঐশ্বরিক ক্ষমতার দাতা। তাঁর আরাধনায় জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি, আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং সাফল্যের পথ সুগম হয়। তিনি ভক্তের জ্ঞান বৃদ্ধি, মনের একাগ্রতা ও সমস্ত বাধা দূর করে চূড়ান্ত মোক্ষ বা মুক্তি লাভে সহায়তা করেন। জীবনের সমস্ত ধরণের শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক বাধা দূর করে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সাফল্য নিশ্চিত করেন

পূজা ও জপ মন্ত্র ওঁ দেবী সিদ্ধিদাত্র্যৈ নমঃ

ধ্যান মন্ত্র: বন্দে বাঞ্ছিত মনোরথার্থ চন্দ্রশেখর সুরী।
কমলস্থিত চতুর্ভূজা সিদ্ধিদাত্রী যশস্বিনীম্॥ 

স্তুতি মন্ত্র: যা দেবী সর্বভূতেষু মা সিদ্ধিদাত্রী রূপেন সংস্থিতা।
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ॥

মা সিদ্ধিদাত্রীর তাৎপর্য:
তিনিই একমাত্র দেবী যিনি আট প্রকার সিদ্ধি (অণিমা, লঘিমা, প্রাপ্তি, প্রাকাম্য, মহিমা, ঈশিত্ব, বশিত্ব) প্রদান করেন । মার্কণ্ডেয় পুরাণে বলা হয়েছে, তার কৃপায় ভক্তের সমস্ত অসম্পূর্ণ কাজ পূর্ণ হয় ।

স্বয়ং মহাদেব দেবী সিদ্ধিদাত্রীর পূজা করে ‘অণিমা, লঘিমা, প্রাপ্তি, প্রাকাম্য, মহিমা, ঈশিত্ব, বশিত্ব ও গরিমা’—এই আটটি সিদ্ধি লাভ করেছিলেন।

 

বিজয়া দশমী

২৭ তারিখ সকাল ১০.৬ মিনিট থেকে ২৮ তারিখ সকাল ৮.৪৫ মিনিট পর্যন্ত

এই দিন দেবীর বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে বাসন্তী পুজো।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *